বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে সহিংস পরিস্থিতি বিরাজ করছে-রিজভী

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনি এলাকায় চরম সহিংস পরিস্থিতি বিরাজের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সকাল থেকে সহিংসতা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনি সহিংসতায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে এখনও পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারেন, তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের কাছে অভিযোগ দিলে বলছে, তারা কিছু করতে পারবে না।’

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগ দেওয়ার পর রিজভী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। চসিক নির্বাচনের প্রথম তিন ঘণ্টার ঘটনাবলির সংক্ষিপ্ত চিত্র সিইসিকে দিয়েছে বিএনপি।

নির্বাচনকে চূড়ান্ত পর্যায়ের তামাশা ও প্রহসনের নির্বাচন আখ্যা দিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বর্তমান সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন সুষ্ঠু নির্বাচন নামক শব্দটি মানুষের কাছে অচেনা হয়ে যাবে। এরা ভোটারদের ভোটাধিকার মনে প্রাণে ঘৃণা করে। এরা বিরোধী দল, ভিন্ন মত, সমালোচনার ভয়ঙ্কর শত্রু। তাদের আমলে শঙ্কা ও ভয় জনগণকে ঘিরে থাকে। মূলত এদেশের জনগণ অনতিক্রম্য বন্দিশালায় বন্দি। জালিমশাহীর রাজত্ব, নমরুদ-ফেরাউনের আমলকেও হার মানিয়েছে। এদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতন্ত্রকে হত্যাকারী ঘাতক হচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং হুকুমের আসামি সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

অভিযোগ করে রিজভী আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সেই ট্রেডিশন সমানে চলছে। আওয়ামী সরকারের যে বৈশিষ্ট্য নির্বাচনকে ঘিরে, সেই নির্বাচন হবে কেড়ে নেওয়ার নির্বাচন। ভোটারদেরকে ভোট কেন্দ্রে না আসতে দেওয়ার নির্বাচন, বিএনপি প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদেরকে বের করে দেওয়া বা গ্রেফতার করা— ঠিকই একইভাবে এখনও চলছে। আজ সকাল ৮টায় যে নির্বাচন শুরু হয়েছে, দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ধানের শীষের এজেন্টদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে।’

চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচনি কার্যালয়ের যৌথ প্রযোজনায় আরেকটি জালিয়াতির নির্বাচন চলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পুলিশের দিকে অভিযোগ তুলে রিজভী বলেন, ‘চসিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে পুলিশি তাণ্ডব চলছে। সেখানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গতকালই পুলিশ কমিশনারসহ বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিটিং করে নির্দেশনা দিয়েছেন যে, কীভাবে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে পাইকারিহারে মামলা ও গ্রেফতার, এজেন্টদের গ্রেফতার ও বিএনপি নেতাকর্মীদের এলাকাশূন্য করে ভোট ডাকাতি করা যায়। আজ সকাল থেকে পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেই কাজটি তারা করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে না আসার জন্য যত ধরনের মেকানিজম আছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা একসঙ্গে মিলে সেই কাজটি করেছেন। প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের দলীয় ক্যাডারদের মতো কাজ করছে। ভোট ডাকাতিতে প্রশাসন যন্ত্র ও রাষ্ট্রযন্ত্র মিলে একাকার হয়ে গেছে। যদিও নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর থেকে আজ পর্যন্ত দেড়শতাধিক কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়েছে।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION